খেলা

ধর্ষণের ঘটনায় রোনালদোর গোপন চুক্তি ফাঁস

বিএনএন ৭১ ডটকম
খেলা ডেস্ক: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মডেল ক্যাথরিন মায়োরগা। কিন্তু বরাবরই সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন পর্তুগিজ তারকা। এবার রোনালদোর বিরুদ্ধে এমন এক প্রমাণ হাজির করলো ধর্ষণের খবর প্রকাশ করা জার্মান সংবাদমাধ্যম ডার স্পেইগেল। ধর্ষণ করার পর মুখ বন্ধ করতে বিপুল অংকের টাকার বিনিময়ে যে গোপন চুক্তিপত্র করেছিলেন রোনালদো; সেটি ফাঁস করে দিল তারা। ২০০৯ সালে রোনালদোর বিপক্ষে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন ক্যাথরিন মায়োরগা। গত বছর তা প্রকাশ করে ডার স্পেইগেল। এরপরই তোলপাড় শুরু হয় সারা দুনিয়ায়। বেশ কয়েক বার টুইট করে অভিযোগ অস্বীকার করেন ফুটবলের এই তারকা। টুইটারে তিনি লেখেন, আমি দৃঢ়ভাবে আমার প্রতি ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করছি।

ক্যাথরিন মায়োরগা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, লাস ভেগাসের একটি হোটেলে তাকে আমন্ত্রণ জানান রোনালদো। সেখানে জোরপূর্বক তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরের দিন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন মায়োরগা। অভিযোগ দাখিলের পর রোনালদোর পক্ষ থেকে আপোষের প্রস্তাব আসে। ২০১০ সালে তিন লাখ ৭৫ হাজার ডলারে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। মায়োরগারের দাবি, ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া ও হয়রানির কথা ভেবে রোনালদোর সঙ্গে তিনি আপস করেছিলেন। সম্প্রতি ‘মি টু’ আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেই আপস ভেঙে ফেলেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই তরুণী। সেই গোপন আপোষনামার একটি কপি ছিল মায়োরগার কাছে। এবার ডার স্পিগেলের মাধ্যমে সেটি প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। ওই চুক্তিপত্রের নিচে মায়োরগা এবং রোনালদোর স্বাক্ষর আছে। ২০১০ সালের ১২ জুলাই এটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিপত্র প্রকাশ করে ডার স্পিগেল জানিয়েছে, এই নথির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ নেই। রোনালদোর আইনজীবীর পক্ষ থেকেও কোনো আপত্তি করা হয়নি।

লাস ভেগাস পুলিশ জানায়, তারা ২০০৯ সালের জুনে এ-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পান। পরে অভিযোগের উপর ভিত্তি করে আর তদন্ত হয়নি। অভিযোগের সময় ওই তরুণী ঘটনার স্থান বা কোনও প্রমাণাদি পুলিশকে দেয়নি। এরপর ২০১৮ সালে এসে ভিকটিম এ নিয়ে আবারো কথা বললে সেপ্টেম্বরে গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করতে নামে। লাস ভেগাস পুলিশ জানিয়েছে, তারা রোনালদোকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *