বিশেষ প্রতিবেদন রাজনীতি

মুক্তিযোদ্ধা হেলাল-প্রতাপদের মুক্তি কত দূরে?

আহমদ রফিক
অনেক দিন থেকেই মাঝেমধ্যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত দু-একটি খবর পড়ে চমকে উঠি, ভাবতে হয় এমনটি কি প্রত্যাশিত ছিল? একাত্তরের যুদ্ধোত্তর স্বাধীন বাংলাদেশের সমাজে? তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার পর ধীরস্থির ভাবনায় হিসাব-নিকাশের পর সিদ্ধান্তে আসতে হয়, রাজনীতির বিচার-ব্যাখ্যায় এমনটাই স্বাভাবিক। কিছুসংখ্যক রাজনীতিসচেতন ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষের আকাক্সক্ষা ও প্রত্যাশাটি ছিল স্বপ্ন, যা পূরণ হওয়ার মতো নয়।

সম্প্রতি পড়া পূর্বোক্ত ধারার একটি খবরের শিরোনাম : ‘মুক্তিযোদ্ধা প্রতাপ এখন মসলার ফেরিওয়ালা! আরো আগে গাইবান্ধার হেলালউদ্দিনের কথা পড়েছিলাম, মুক্তিযোদ্ধা হোলালউদ্দিন ছিলেন সরকারি চাল গুদামের দিনমজুর। যুদ্ধ শেষে বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধার অবস্থা একই রকম, কোনো পরিবর্তন ঘটেনি সেই বর্ষীয়ান দিনমজুরের জীবনে। সেই ভারী চালের বস্তা নিয়ে এদিক-সেদিক করা, হাঁপাতে হাঁপাতে তা যত কষ্টই হোক। সংসারে একই রকম অভাব-অনটন।
আর প্রতাপ? মসলা ফেরি করে দিনে দেড় শ-দুই শ টাকা আয়ে সংসার চলে না। পরিবারে এখন তিন সন্তান। সংবাদ প্রতিবেদকের বিবরণে প্রকাশ, ‘মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা পেতে কাগজপত্র নিয়ে কয়েক বছর নিষ্ফল ঘুরেছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতাদের দুয়ারে দুয়ারে। সর্বশেষ ভাতার জন্য গত বছর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কমিটিতে আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো কাজে আসেনি সে আবেদন।’

এই মুক্তিযোদ্ধা ‘লালমনিরহাট উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের কাজির চওড়া গ্রামের বাসিন্দা। দুঃখ-কষ্টের জীবনে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের স্মৃতিই তাঁর একমাত্র সান্ত¡না। প্রাসঙ্গিক আরো একটি খবর এই প্রতিবেদনে : ‘নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা টাকার বিনিময়ে সরকারি ভাতা ভোগ করছেন। অথচ প্রতাপ মুক্তিযোদ্ধা হয়েও ভাতা পাচ্ছেন না।’
এমন ঘটনা দু-একটি নয়, প্রায়ই দৈনিক পত্রিকায় এমন খবরের মুখোমুখি হতে হয়। যেমন হেলালউদ্দিনের খবরটিতে কয়েকজন গরিব মুক্তিযোদ্ধার উল্লেখ ছিল, যাঁরা রিকশা চালিয়ে বা চায়ের দোকান দিয়ে কোনোমতে সংসার চালিয়েছেন। তাঁদের দু-একজন নাকি টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন। অথচ বাহাত্তরে রাতারাতি মুক্তিযোদ্ধা বনে যাওয়া ভুয়া যোদ্ধারা (যাদের কৌতুক করে ষোড়শ ব্রিগেড বলা হতো) ভালোভাবেই আখের গুছিয়ে নিয়েছেন এমন গল্প সমাজে প্রচলিত।

সংগত প্রয়োজনে স্থাপিত মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কি তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে? কিংবা এ ব্যাপারে সরকারি প্রচেষ্টা? পরবর্তী সময়ের মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ও কি কোনো জরিপ করে দেখেছে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে এমন ফাঁকির শিকার কেউ আছে কি না? মাঝেমধ্যে তো খবরে পড়ি, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার কথা, তাদের সনদ বাতিলের কথা কিংবা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা। আসলে মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তালিকা তৈরি, তাঁদের শ্রেণিবিন্যাস, দরিদ্র তথা নিম্নবর্গীয়দের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কাজগুলো শুরুতেই করা দরকার ছিল সঠিকভাবে। তাতে হেলাল বা প্রতাপদের মতো দরিদ্র শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে দায়িত্বহীনতার অভিযোগ পোহাতে হতো না। এখনো সময় আছে। চলুক না দেশব্যাপী একটি নিরপেক্ষ চরিত্রের জরিপ, যাতে দুস্থ দুঃখী মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করা যায়?

দুই.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, প্রকৃত বিচারে স্বাধীনতাযুদ্ধ চরিত্রের দিক থেকে একধরনের জনযুদ্ধ রূপেই চিহ্নিত হতে পারে। যদিও সংখ্যা কমবেশি এবং হেরফের অনেক, তবু এ কথা সত্য যে এ যুদ্ধে সর্বশ্রেণির মানুষ যোগ দিয়েছিল, এমনকি কৃষক বা শ্রমজীবী শ্রেণির মানুষ। ব্যক্তিগত প্রত্যাশা না থাকলেও আর্থ-সামাজিক বিচারে এ যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা অর্জন। নেপথ্যে উদ্দেশ্য দেশের সর্বশ্রেণির মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন।
কিন্তু বাস্তবে কী ঘটেছে? ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান ও রাজনীতির নিয়মমাফিক শক্তিমান চালক শ্রেণির স্বার্থই পূরণ করেছে স্বাধীনতাযুদ্ধ। বিভিন্ন পেশার মধ্যবিত্ত থেকে স্বল্পসংখ্যক উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণি এ যুদ্ধের সুফলভোগী।

তাঁরা শিক্ষিত নানা পেশাজীবী শ্রেণির মানুষ শিক্ষক-চিকিৎসক-প্রকৌশলী-আইনজীবী, ব্যবসায়ী এমনকি সামরিক কর্মকর্তা, সর্বোপরি রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চস্তরের কর্মী। তাঁদেরই জীবন রাঙিয়েছে রক্তাক্ত স্বাধীনতাযুদ্ধ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে। এভাবে বহু কথিত দুই পাকিস্তানের বৈষম্য শ্রেণিগতভাবে দূর হয়েছে। হয়েছে বিচ্ছিন্নতার বিনিময়ে। মূল সুবিধাভোগী মধ্য-উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণি।
১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগোত্তর পাকিস্তান যেমন ছিল একাধিক ইতিহাসবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর বিচারে ‘উদ্ভট রাষ্ট্র’ বা ‘অস্বাভাবিক রাষ্ট্র’, বিশেষ শ্রেণির সুবিধাভোগের রাষ্ট্র, স্বাধীন বাংলাদেশও শ্রেণিবৈষম্য বিচারে হয়ে উঠেছে বিশেষ সুবিধাভোগীর রাষ্ট্র। তাই এককথায় সমাজের সর্বস্তরে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা সামরিক, বেসামরিক শ্রেণির সদস্যদের শ্রীবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি ঘটেছে এবং শ্রেণি বিশেষের সে উত্তরণ অতিদ্রুত। জাতীয়তাবাদী রাজনীতি সে সুযোগ-সুবিধার চালিকাশক্তি বলা চলে। উদাহরণ সব হাতের কাছে।

তাই কোনো কোনো ইতিহাসবিদ বা সমাজবিজ্ঞানী এককথায় রাজনৈতিক সমাজ বিশ্লেষক বা অর্থনীতিবিদ বিরাজমান পরিস্থিতির বিচার-বিশ্লেষণ করে বলতে বাধ্য হচ্ছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে শ্রেণি বিশেষের দ্রুত উন্নতি ঘটছে, দ্রুত উত্থান ঘটছে নব্য ধনিক শ্রেণির, সেই সঙ্গে শ্রেণিবৈষম্য বাড়ছে, ভূমিহীন কৃষক তথা কৃষক শ্রমজীবীর সংখ্যাও বাড়ছে অর্থনৈতিক উন্নতির বিপরীত ধারায়।
ইদানীং মাঝেমধ্যে সংবাদপত্রে এমন আর্থ-সামাজিক মূল্যায়নধর্মী রচনাও প্রকাশ পাচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে ‘অতিধনীর সংখ্যা এত দ্রুত বাড়ছে কেন?’ এ ধরনের আর্থ-সামাজিক বিচার-ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন নতুন কিছু নয়, অনেক দিন থেকেই তা চলছে। অবশ্য এ আলোচনাটিতে এসেছে ‘অতিধনী’দের কথা। অতিধনী তাদেরই বলা হয় যাদের সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ডলার, টাকার হিসাবে প্রায় আড়াই শ কোটি।

এখন বিপুল পরিমাণ বিত্তের অধিকারী মানুষের সংখ্যা দরিদ্র বাংলাদেশে নেহাত কম নয়, বরং বিস্ময়কর। লন্ডনভিত্তিক একটি সংস্থার জরিপ মতে, এই বৃদ্ধির হার ২০১২ সাল থেকে ১৭ শতাংশের কিছু বেশি। আমাদের প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলে না, অন্তত চারদিকে চেয়ে দেখে এমনই মনে হয়। কথাটি বহু উল্লিখিত এবং তা এতটাই যে তা প্রায় প্রবাদপ্রতিম যে নেপথ্যে পাকিস্তান চালায় তাদের ‘বাইশ পরিবার’।
এমন এক পাকিস্তানি পরিবেশে বাঙালি গণতন্ত্রী-প্রগতিবাদীদের আকাক্সক্ষা ছিল জনবান্ধব রাজনীতির শ্রেণিবৈষম্যহীন সমাজ আর জাতীয়তাবাদীদের লক্ষ্য ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তিতে পাকিস্তানের পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যকার আর্থ-সামাজিক বৈষম্য দূর, সেই ধারায় আন্দোলন, যা বৈষম্যপীড়িত শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে ব্যাপকভাবে আকর্ষণ করে। তাঁরা হয়ে ওঠেন প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু। জাতীয় রাজনীতি এঁদেরই প্রতিনিধিত্ব করেছে।

একাত্তরের যুদ্ধে রাজনৈতিক-সামাজিক দিক থেকে এঁদেরই প্রাধান্য। এঁদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা যুদ্ধোত্তর স্বাধীন বাংলাদেশে দল-নির্বিশেষে দেশ শাসন করেছে পর্যায়ক্রমে। স্বভাবতই এঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় স্বাধীন বাংলাদেশে ধনিক শ্রেণির দ্রুত অভ্যুদয় সামরিক-বেসামরিক উভয় খাতে শিক্ষা-সংস্কৃতি, শিল্প-ব্যবসাসহ পেশাজীবী শ্রেণির সমৃদ্ধিতে। সত্যি বলতে কী অবিশ্বাস্য দ্রুততায় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে লক্ষ্য অর্জনের আকাক্সক্ষায়। শেষোক্ত লক্ষ্য অবশ্য সাম্প্রতিক।
অর্থনৈতিক উন্নতির যে বিপুল পরিমাণ অমৃত-নৈতিক-অনৈতিক পথে অর্জিত ও ব্যবহৃত তার বেশির ভাগ উল্লিখিত শ্রেণির ভোগে লেগেছে, সামান্য অংশ বাকিদের। তাই গ্রামে বা নিম্নবর্গীয়দের মধ্যে দৃশ্যমান কিছু অর্থনৈতিক পরিবর্তন, যে উদাহরণ শাসক শ্রেণি ও তাদের সমর্থক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করে থাকেন। ঠিকই রিকশাওয়ালার গায়ে ছেঁড়া শার্টের বদলে নতুন কেনা শার্ট, নগ্ন পায়ে স্পঞ্জের স্যান্ডেল।

এ উন্নতির শুভংকরের ফাঁকিটা হলো, যে পরিমাণ অর্থনৈতিক উন্নতি তার তুলনায় এবং জীবনযাপনের ব্যয় বিচারে অবস্থার উন্নতি সামান্য। সর্বোপরি বিত্তবান শ্রেণির সঙ্গে তুলনায় শ্রেণিবৈষম্য বা ব্যবধান বিশাল, তা ক্রমেই বাড়ছে। ধনীরা অতিদ্রত অতিধনী হয়ে উঠছে। কথিত পাকিস্তানি ২২ পরিবার সমৃদ্ধি ও অর্থশক্তি বিচারে বাংলাদেশে কত গুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তার তুলনামূলক জরিপটি করা দরকার এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা দরকার। তাহলে বোঝা যাবে জনশোষণ-শ্রেণিশোষণ তুলনামূলক বিচারে কম না বেশি। বোঝা যাবে পাকিস্তানি ২২ পরিবার স্বাধীন বাংলাদেশে কত শত পরিবারে উন্নীত হয়েছে, নাকি সংখ্যাটি আরো বেশি।

পূর্বোক্ত ‘অতিধনী’ তত্ত্ব বিচার করে দেখলে সন্দেহ নেই, সংখ্যা অধিকই হবে। তবে দেশাত্মবোধ বিচারে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা হলো এসব ‘অতিধনী’ পরিবারের অভিবাসী চরিত্র, বিদেশে ব্যাপক পরিমাণে তাদের টাকা পাচার ও বাসস্থান ক্রয়। ভারতীয় এনআরআইদের তুলনায় এ দেশের এনআরবিদের চরিত্র অধিকতর দেশ স্বার্থবিরোধী। মালয়েশিয়ার ‘সেকেন্ড হোম’ প্রকল্পে বাংলাদেশি অতিবিত্তবানদের অবস্থান বিচারে বিষয়টি স্পষ্ট। পূর্বোক্ত লেখকের হিসাবে এই সংখ্যা তিন হাজারের বেশি।

আর বহু কথিত সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত বাংলাদেশি টাকার পরিমাণও অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। পূর্বোক্ত সূত্র মতে, এই অর্থের পরিমাণ ৪৮ কোটি সুইস ফ্রাঁ’রও বেশি (২০১৭ সাল)। এক বছর আগে এই অঙ্কটি ছিল আরো বেশি। এ ঘটনার রাজনৈতিক-সামাজিক তাৎপর্য বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিদেশে অভিবাসী বাংলাদেশির সংখ্যাও অতিদ্রত বেড়ে চলেছে।
আরো একটি বিষয় স্মরণযোগ্য যে এই বিত্ত আলামতের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশে বৃহৎ ব্যবসায়ী, পুঁজিপতিকুল এবং উচ্চশিক্ষিত এলিট শ্রেণির অংশ, বিশেষভাবে পূর্বোক্ত দুই গ্রুপ, যাদের দ্বিতীয় স্বদেশ হয়ে উঠেছে বিদেশ, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো একাধিক দেশ। বাংলাদেশিদের বহু উচ্চারিত এবং গর্বের ভাষিক জাতীয়তাবাদী চেতনার এই পরিণাম কি সত্যিই বিস্ময়কর? না, মনে হয় না।

এ প্রশ্নের জবাব বুঝে নিতে কষ্ট হয় না। শ্রেণিরাজনীতির নিয়ম মেনে জাতীয়বাদী-পুঁজিবাদের হাত ধরে এটাই স্বাভাবিক। তাই কথাটা বহুজনের মুখে শোনা যায় : আমাদের ‘সমাজে ধনী আরো ধনী, গরিব আরো গরিব হচ্ছে’ অর্থনৈতিক উন্নতি ও প্রবৃদ্ধির মধ্যেই। শ্রেণিগত বৈষম্য বেড়ে চলেছে। তাই প্রায়ই তরুণদের অনেকের প্রশ্ন এমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন আপনারা? তখন জবাব দিতে কষ্ট হয়।
তবু কেউ কেউ আশা পোষণ করেন এবং লেখেন বাংলাদেশকে ‘কল্যাণ রাষ্ট্রে সম্প্রসারণ যেভাবে সম্ভব’ সেসব সম্ভাবনা নিয়ে। এ বিষয় নিয়ে বারান্তরে আলোচনা করা যাবে। বর্তমান আলোচনার শেষ কথা হলো, আর্থ-সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য দূর না করে কোনো প্রকার রাষ্ট্রিক শুভ অর্জন বা পরিবর্তন সম্ভব বলে মনে হয় না।

লেখক : কবি, গবেষক, ভাষাসংগ্রামী

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *