আজব খবর বিশেষ প্রতিবেদন

এখনো টিকে আছে ইশরাত মঞ্জিলের ফোয়ারা!

বিএনএন ৭১ ডটকম
ফিচার ডেস্ক: ১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে খাজা আলিমুল্লাহ’র পুত্র খাজা আব্দুল গণি পিতার সমুদয় সম্পত্তির অধিকারী হন। খাজা আব্দুল গণি এবং তার পুত্র খাজা আহাসানউল্লাহকে জমিদারি তদারকের দায়িত্ব দেন ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৭০ থেকে ১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে তিনি শাহাবাগের প্রায় ২০০ বিঘা জমি ক্রয় করেন। ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে আহসানউল্লাহ এখানে একটি বাগান তৈরির কাজে হাত দেন। বাগানটি তৈরি হওয়ার পর নবাব খাজা আব্দুল গণি এর নাম দেন ‘শাহবাগ’ (রাজার বাগান)’। কোনো কোনো মতে- এই বাগনাটির আদি নাম ছিল ‌‌’বাগ-ই-বাদশাহী’ (রাজার বাগান)। পরবর্তীতে এটি সংক্ষিপ্ত নাম শাহ (ফার্সি:شاه, রাজা) বাগ (ফার্সি: باغ, বাগান) নামে পরিচিতি লাভ করে।

 

এই সময়ে ইশরাত মঞ্জিল নামে একটি দ্বিতল আকর্ষণীয় বাড়ি তৈরি করা হয়েছিল। এই বাড়িটা বাইজিদের নাচার জন্যে নাচঘর হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সে সময়ের বাইজিদের মধ্যে পিয়ারী বাই, ওয়ামু বাই, আবেদী বাই খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। ইশরাত মঞ্জিল পুনঃনির্মান করে হোটেল শাহবাগ (ইংরেজ স্থপতি এডোয়ার্ড হাইক্স এবং রোনাল্ড ম্যাক্‌কোনেলের নকশায়) করা হয়, যা ঢাকার প্রথম প্রধান আন্তর্জাতিক হোটেল। ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে ভবনটি ইনন্সটিটিউট অফ পোস্ট-গ্রাজুয়েটে মেডিসিন এন্ড রিসার্চ (IPGMR) অধিগ্রহণ করে এবং পরর্তীতে ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU) দ্বারা অধিগৃহীত হয়। তবে কেউ কেই মনে করেন ইশরাত মঞ্জিল ছিল মূলত আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের টিএসসি অডিটরিয়ামের স্থলে। যার প্রমাণ এখনো রয়ে গেছে। সেই ইশরাত মঞ্জিলের সামনের ফোয়ারাটি এখনো টিএসসির অডিটরিয়ামের দক্ষিণপাশে বিদ্যমান। ছবি ও লেখা: সংগৃহিত

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *